Skip to main content

Posts

মার্চ ২০১৪

বিশ্বসেরা আদর্শ বালক মুনশি মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ নিত্য দিনরাতের হয় আনাগোনা। বনের সুরভি ফুলে মুখরিত হয় চিত্ত আল্পনা। আঁধার লুকোয় , আলোর আগমন ঘটে। ফুল ফোটে। নদী উদ্বেলিত হয় প্রবহমান স্রোতে ; হৃদয় আকৃষ্ট হয় তার মনোমুগ্ধকর কলকল প্রতিধ্বনিতে। পাখি গান করে। পর্বত চিরে ঝরনা ঝরে। চিত্রক প্রকৃতির চিত্র আঁকে। কবি রচনা করে কবিতা Ñ এ সবই হলো পৃথিবীর নিয়মিত বিধান। আর এ বিধান থেকেই আমরা প্রতিনিয়ত নানাভাবে শিখছি। তাইতো অবলীলায় কবির ভাষায় বলতে পারি , ‘ পৃথিবীটা হলো শিক্ষাঙ্গন ’ । শিক্ষার এ ধারায়ই কোনো মহামনীষীর উত্তম আদর্শ অনুসরণ করে মানুষ হতে পারে আদর্শবান , আপন জীবন গড়তে পারে উজ্জ্বলময় এক অতুলনীয় জীবনে , বাল্যে হতে পারে একজন সেরাদশ আদর্শ বালক , আর নৈতিকতায় এক গরিষ্ঠ নৈতিক , কর্মজীবনে পদার্পণ করে হতে পারে সমাজের যোগ্যনেতা এবং শিষ্টাচারে আদর্শ শিষ্টাচারক।

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

মুফতি আমিনী- ভাঙা ভাঙা স্বরে সোনা ঝরানো কথা আর শুনবো না! - ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী এক. মুফতি ফজলুল হক আমিনী। এখন রাহমাতুল্লাহি আলাইহি। বুঝি নি , এতো তাড়াতাড়ি .. এতো অসময়ে .. এতো দুঃসময়ে হঠাৎ করে তিনি চলে যাবেন! সেদিন রাতে এতোটা ‘ ঘুম-কাতুরে ’ না হলেও পারতাম! গভীর রাতে অনেক ফোন এসেছে , ধরতে পারি নি! সময় মতো তাঁর মৃত্যু সংবাদটা জানতে পারি নি! ফজরে উঠে দেখি ; অনেক মিসকল। সাথে একটা ‘ মোবাইলবার্তা ’ Ñ ‘ মুফতি আমিনী আর নেই ’ ! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!! শোক-বিহ্বলতায় আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম! শোকস্তব্ধ এতিমের মতো হাহাকার করতে লাগলো ‘ এতিম ’ মনটা! তাঁকে এভাবে হঠাৎ করে হারানোর শোক অনেক বড় শোক! কেননা , এ শোক প্রিয় উস্তায হারানোর শোক!

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

তার স্নেহমাখা সান্নিধ্যে তামীম রায়হান মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেই কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এটুকু ক্ষুদ্রতা ও অপারগতা আছে বলেই তো আমরা মানুষ। আমার অসংখ্য সীমাবদ্ধতা কিংবা ব্যর্থতার একটি হল- খুব প্রিয় মানুষদের দিয়ে আমি গুছিয়ে কিছুই লিখতে পারি না। এ আমার অক্ষমতা এবং এটি স্বীকারে কোন কার্পণ্য নেই।   জীবনে যে কয়জন মানুষের সান্নিধ্যে নিজেকে পরম সৌভাগ্যবান ভেবে পুলকিত হয়েছি , আমার প্রিয়তম উসতায এবং দিকনির্দেশক হযরত আল্লামা মুফতী আমিনী রহ , তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে। আমার তারুণ্যের সূচনায় আমি তার সাহচর্য পেয়েছি , মানুষ হওয়ার দীক্ষা নিয়েছি তার হাতেই। খুব কাছ থেকে তার ব্যক্তিত্বের বর্ণিল আলোয় নিজের হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নকে খুঁজে পেয়েছি। এ মহান ব্যক্তিত্বের সাথে আমার স্মৃতিগুলো গুছিয়ে লিখতে গেলে তা বিশাল কলেবর হয়ে যাবে।  

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

মুফতী আমিনী রহ. পরমপ্রিয় উস্তাদ ,  রুহানী পিতা ; কিছু কথা কিছু টুকরো স্মৃতি - আনছারুল হক ইমরান আমি এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বকে নিয়ে কলম ধরলাম। যার বিয়োগ ব্যাথায় কেঁদেছিল আকাশ , কেঁদেছিল দেশ-বিদেশের লাখো-কোটি মানুষ। যিনি আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন ইসলাম ও দেশদ্রোহী সকল বাতিল শক্তির বিরুদ্ধে। ইসলাম ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি ছিলেন অতন্ত্র প্রহরী। অস্ত্র ছিল তার ‘‘ নারায়ে তাকবীরের স্লে ­ াগান , শেষ রাতে আপন প্রভুর দরবারে কান্নাকাটি। ’’ তিনি আমার রুহানী পিতা , পরমপ্রিয় উস্তাদ , অন্ধকারে আলোর দিশারী , ধৈর্যের বাতিঘর , নিমোর্হের উজ্জল দৃষ্টান্ত আল্লামা মুফতী ফজলুল হক আমিনী রহ.। (আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

মুফতী আমিনী (রহ.)ঃ এক জীবন্ত ইতিহাস মুফতী ফয়জুল্লাহ তিনি চলে গেলেন। গেছেন না ফেরার দেশে। তিনি হাসতে হাসতে গেলেন। কাঁদলো জগৎবাসী। অঝোর ধারায় কেঁদে উঠলো আকাশ। সেদিন আকাশ এভাবে কেঁদে উঠবে এর পূর্বাভাস ছিল না। কিন্তু কাঁদলো , কাঁদলো একই সাথে বাংলাদেশের উপরে ছাদ হয়ে থাকা পুরো আকাশ। কাঁদলো অজস্র মানুষ। কারও গাল বেয়ে পড়ছে অশ্র “ । কারও বুকফাটা আর্তনাদ। কেউ ডুকরে কেঁদে উঠছে। কেউ কেঁদে চলেছে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। সারা দেশ যেন শোকে কাতর। আপনহারা শোকের বেদনায় যেন সারা দেশের মানুষ অন্যরকম এক কাতরতায় মুহ্যমান। একটি রূহের তিরোধানে অকস্মাৎ শূন্য হয়ে গেল অনেকগুলো আসন। কারণ , তিনি ছিলেন একাধারে একজন খ্যাতিমান হক্কানী আলেম ,  ছিলেন শায়খুল হাদীস। ছিলেন দেশবিখ্যাত মুফতী। ছিলেন একজন আপাদমস্তক আবেদ। ছিলেন মুত্তাকী। ছিলেন নির্লোভ। ছিলেন মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। ছিলেন রুহবানুল  লাইল-ফুরসানুন নাহার। ছিলেন লেখক। ছিলেন সময়ের শ্রেষ্ঠ বক্তা। ছিলেন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ছিলেন  ঐতিহাসিক। ছিলেন কিতাবের পোকা।

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

মুফতী আমিনী : আস্থা ও দ্রোহের মিনার শরীফ মুহাম্মদ তিনি হঠাত্ করেই চলে গেলেন। হ্যাঁ , সবাইকে হতবুদ্ধি , নির্বাক ও শোকবিদ্ধ করে চলে গেলেন। যেন ঘরবাড়ি-ময়দান শূন্য করেই চলে গেলেন ? ঝড়ের রাতে জাহাজ থেকে নাবিক নেমে গেলে যেমন হয় , গহীন অরণ্যে কাফেলা প্রধান নিখোঁজ হয়ে গেলে যেমন হয় দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ও আলেম সমাজের অবস্থা তার চলে যাওয়ায় তেমনই হয়েছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে আমাদের ছেড়ে পরপারে চলে গেছেন মুফতি ফজলুল হক আমিনী।

মুফতী আমিনী রহ. স্মরণ সংখ্যা-২০১৩

যে বার্তা রেখে গেলেন মুফতী আমিনী উবায়দুর রহমান খান নদভী জীবন যেভাবে যাপন করবে মৃত্যুও তোমাদের সেভাবেই হবে। যেভাবে মৃত্যুবরণ করবে শেষ বিচারের দিন সে অবস্থায়ই উঠবে। জীবন- মৃত্যুর ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন একটা ইশারা রয়েছে। মুফতী মাওলানা ফজলুল হক আমিনী ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিনভর তার স্বাভাবিক কাজকর্ম করেছেন। ইবাদত-বন্দেগী , খাওয়া দাওয়া , শিক্ষকতা ও ইমামতিসহ সংগঠন , রাজনীতি , বৈঠক , বিবৃতিদান সবই করেছেন। রাতের মাগরিবের পর থেকে এশা পর্যন্ত লালবাগের ছাত্রদের বোখারী শরীফ পাঠদান করেছেন। একবার বলেছিলেন শরীর খারাপ লাগছে। ১১টার দিকে বেশি খারাপ লাগায় হাসপাতালে যান। সেখানেই রাত সোয়া বারটার দিকে তার ইন্তেকাল হয়। তারিখটা পড়ে যায় ১২ ডিসেম্বর। বহুল আলোচিত ১২-১২-১২ তারিখ মুফতী আমিনী চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

বক্তৃতা

কুরআন এবং হাদিসে রাসুল হলো  বিজয়ী শ্রেষ্ঠ সাহিত্য মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন আমার বলবার কথা যতোটুকু এখানে সেটা হলো, আমরা এ ধারায় একেবারে নতুন নয়। আশির দশকে এসে বা নব্বই দশকে এসে আমরাই নতুন করে শুরু করেছি এমন না। বরং কাজ অনেক পিছন থেকে চলে আসছে। মেশকাত শরিফের তরজমা করেছেন মাওলানা নুর মুহাম্মদ আযমী। ভুমিকায় লিখেছেন হাদিসশাস্ত্র সম্পর্কে। হাদিসের তথ্য-ইতিহাস এনেছেন। অথচ ঠিক এমন সময় ইউনিভার্সিটির কোনো একজন প্রফেসরের পক্ষে খুব সহজ ছিলো না খুব সহজেই কোনো গ্রন্থ রচনা করবেন। সুতরাং যে সময়টাতে করেছেন সে সময়টাকেও দেখবার প্রয়োজন আছে। কতোটা তথ্য-উপাথ্য তখন সংগ্রহ করা যেতো। আমি এ কারণেই বলি, অনেক সময় আমরা তারুণ্যের উত্তাপে আমাদের পূর্বসুরীদের নাকচ করে দিই। এটা ভালো নয়, সঠিক নয়, সম্ভ্রান্ত সন্তানের পরিচয় নয়।

বাতিঘর

মহান পুরুষ আল্লামা আতহার আলী রহ. যুবায়ের আহমাদ একটি জাতির পরিবর্তনের জন্য দরকার একজন নেতা। মুসা আ. বনি ইসরাঈলে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন , ইবরাহিম আ. নমরূদের মসনদে আঘাত হেনে আল্লাহর বড়ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন , তেমনি একজন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্ব মানবতার ভাগ্যে পরিবর্তন ঘটিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় মুহাম্মদ বিন কাসিম তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে এই উপমহাদেশের মানুষকে আত্মিক মুক্তির সন্ধান দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। একজন তিতুমীরের ডাকে বাংলার নিপীড়িত মজলুম জনতা ইংরেজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলো।

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

আলোকিত তরুণের আলোয় কিছুক্ষণ ‘ সাময়িক নাম-যশের দিকে না তাকিয়ে নিরব সাধনা চালিয়ে গেলে সুযোগ এসে ধরা দেবে ’ -   আলী হাসান তৈয়ব বর্তমান সময়ে যে কজন সম্ভাবনাময় তরুণ নিজের স্বকীয়তা এবং স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে নিবিষ্টমনে লেখালেখি করে চলেছেন- তাদের মধ্যে অন্যতম একজন আলী হাসান তৈয়ব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জাতীয় দৈনিকগুলো থেকে নিয়ে গ্রাম-মফস্বলের ছোট কাগজেও তার উজ্জল বিচরণ পাঠককে মোহিত করে রেখেছে। ১৯৮২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণকারী এ প্রতিভাবান তরুণের বাবার নাম তৈয়ব আলী পাইকার। তার মায়ের নাম আলেয়া বেগম। ২০০৫ সালে বেফাকুল মাদারিস থেকে তাকমীল বিভাগে ১ম বিভাগ প্রাপ্ত আলী হাসান তৈয়ব তার সর্বশেষ পড়াশোনা করেছেন মাদরাসা দারুর রাশাদে সাহিত্য ও সাংবাদিকতা বিষয়ে। ছোটবেলা থেকেই মাদরাসার গন্ডি পেরিয়ে তিনি জানান দিয়েছিলেন নিজের সম্ভাবনা ও প্রতিভার কথা। নাহবেমীর পড়ার সময় কৈশোর বয়সেই বগুড়ার স্থানীয় দৈনিক সাতমাথায় তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। কৈশোরে খুব বড় মাপের একজন মুফতি হওয়ার স্বপ্ন থাকলেও ভাগ্যের বাহন তাকে নিয়ে এসেছে আজকের জায়গায়। দিনরাত বিরামহীন ত...

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

আমি এই প্রেমহীন নিরস পৃথিবী হতে নিরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম -  কাজী নজরুল ইসলাম যদি আর বাঁশী না বাজে ,  আমি কবি বলে বলছি নে ,  আমি আপনাদের ভালবাসা পেয়েছিলাম ,  সেই অধিকারে বলছি ,  আমায় আপনারা ক্ষমা করবেন। আমায় ভুলে যাবেন। বিশ্বাস করুন ,  আমি কবি হতে আসি নি। আমি নেতা হতে আসি নি। আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম ,  প্রেম পেতে এসেছিলাম। সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নিরস পৃথিবী হতে নিরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম।

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

পত্রিকা পর্যালোচনা মুহাম্মাদ জাকির হোসেন সাধারণ পত্র-পত্রিকা ও ম্যগাজিনের সাথে পাল্লা দিয়ে ইসলামী ঘরানার মিডিয়ার সংখ্যাও দিন দিন বেড়ে চলছে। বাংলাদেশে ইসলামী দৈনিক পত্রিকা এখন পর্যন্ত না থাকলেও সাপ্তাহিক , পাক্ষিক , মাসিক , ত্রৈমাসিক পত্রিকা এবং ম্যাগাজিনের সংখ্যা অনেক। যার যার অবস্থান থেকে সবাই পাঠককে মানসম্মত আয়োজন চেষ্টা থাকলেও সচেতনতা এবং অন্যান্য বিষয়ে একেকটির গ্রহণযোগ্যতা এবং সাড়া একেকরকম। সবদিক দিয়ে ঈর্ষনীয় মাসিক ম্যাগাজিন কোনটি ? এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়ার সময় এখনও আসেনি। তবে কিছু কিছু ম্যাগাজিনের প্রচেষ্টা এক্ষেত্রে প্রশংসার দাবিদার। চলুন , দেখে নেয়া যাক গতমাসে প্রকাশিত কিছু মাসিক ইসলামী ম্যাগাজিনের হালচাল। এ আয়োজনে আমরা সামগ্রিকভাবে কিছু ম্যাগাজিন সম্পর্কে আলোচনা করার প্রয়াস চালিয়েছি।

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

বাঘের বাচ্চা টিপু সুলতান নাজমুস সাকিব মহীশুরের নবাব হায়দায় আলী। তার প্রথম স্ত্রীর গর্ভে এক পুত্র সন্তান জন্ম হয়েছিলো। ছেলেটি আর দশজনের মত সুস্থ-স্বাভাবিক ছিলো না। নবাবের ছেলে। সে তো হবে বীর যোদ্ধা । কিন্তু হায়দার আলীর এই ছেলেটি বীর যোদ্ধা হওয়া তো দূরের কথা , সুস্থ ভাবে চলাফেরাও করতে পারে না। এই নিয়ে দুঃখের শেষ ছিলো না নবাব পরিবারে। আশাহত নবাব এখানে ওখানে ফকির দরবেশের কাছে গিয়ে তাদের দুআ চাইতেন , তার যেন একটি সুস্থ সবল পুত্র সন্তান জন্ম হয়। এক দরবেশ নবাবের ভগ্নমন দেখে তার জন্য প্রাণখুলে দুআ করলেন। বললেন , আল্লাহ যদি চান তবে এবার বাঘের মত সাহসী একটি ছেলে আসবে তোমার সংসারে। তার নাম রেখো ফতেহ আলী টিপু। কানাড়ী ভাষায় টিপু মানে বাঘ।

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

জীবন পথের পাথেয় ইমাম গাজালী (রহ.) এর মজলিস-১ হোছাইন মুহাম্মদ নাঈমুল হক পঞ্চম শতাব্দীর দুনিয়াজোড়া ইসলামী ব্যক্তিত্ব ইমাম গাজালীর (রহ.) নাম শুনেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। মুসলিম মন-মানস পরিবর্তনের অন্যতম এ দিকপাল আ-জীবন লিখে গেছেন হাজার হাজার পৃষ্ঠা। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় প্রতিটি শাখায় তার ছিল সরব পদচারণা ; তাফসীর থেকে নিয়ে তাসাওফ , ফিক্বাহ্ , উসুল , মানতিক এবং দর্শন পর্যন্ত জ্ঞানের এসব কঠিন কঠিন ক্ষেত্রে শুধু তার দক্ষতা-ই ছিল না বরং এর প্রতিটি শাখায় তিনি লিখে গেছেন অমূল্য গ্রন্থাবলী। যুগ যুগ ধরে তার লেখা ও গবেষণা আজও পিপসা মেটাচ্ছে অজস্র অগণিত ইলমপিপাসু ও গবেষকদের। ইমাম গাজালীর রচিত বইগুলোর মধ্যে কোনটি মাত্র কয়েক পৃষ্ঠায় সমাপ্ত আবার কোনটির কয়েক খন্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। ইমাম গাজালী রহ , এর লেখা তেমনই একটি ছোট পুস্তিকার নাম নাম- ‘‘ ছেলে আমার! তোমার জন্যে ’’ ।

মাসিক নবধ্বনি, মে সংখ্যা, ২০১৩

শ্রমিকের অধিকারে সোচ্চার ইসলাম আনছারুল হক ইমরান ১লা মে। বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে শ্রমিক দিবস। শ্রম ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কত সেমিনার , শোভাযাত্রা , র‌্যালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বময়। শ্রমিক নেতারা মঞ্চে উঠে আজ বজ্র কণ্ঠে অধিকারের কথা বলবেন , তারপর !! এসবে কি শ্রমিকদের প্রাপ্য ও অধিকার আদায়ের নিশ্চয়তা ফিরে আসবে ? এ পর্যন্ত কি ফিরে এসেছে কিছু ? বিগত কয়েক দশকে হয়নি কিছুই দিবস পালন ছাড়া। এভাবেই মে দিবস পালন শুধুই আনুষ্ঠানিকতায় রয়ে যাবে যতদিন না এ বিষয়টিকে আমরা নিজেদের ধর্মীয় কর্তব্য বলে অনুধাবন করব। 
স্বাগত কলাম সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশ উত্তপ্ত হয়ে আছে। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী , হিংসা-হানাহানি এবং সর্বত্র সীমালঙ্ঘনের এক কুৎসিত প্রতিযোগিতা চলছে সবুজ বাংলার মঞ্চে। হরতালের পর হরতাল এবং সরকার ও বিরোধীদলের অব্যাহত সংঘাতে আমরা শংকিত এবং বিপর্যস্ত। এরসাথে যোগ হয়েছে কিছু খোদাদ্রোহী তরুণের বিকৃত মানসিকতা এবং ধর্ম নিয়ে তাদের ঠাট্টা-তামাশা। এর প্রতিবাদে মাঠে নেমেছেন সারাদেশের ঈমানদার এবং নবীপ্রেমিক মুসলমানরা।
অপারেশন শাপলা শেষ রাতের এক রুদ্ধশ্বাস অপারেশন। যাকে মানুষ বলছে অপারেশন শাপলা চত্বর। প্রায় দশ হাজার র‌্যাব , পুলিশ , বিজিবির যৌথ অ্যাকশন। টার্গেট ৩০ হাজারের মতো হেফাজতে ইসলামের কর্মীকে হটানো। শেষ রাতে তাদের কেউ কেউ তখন রাস্তা   বা ফুটপাতে শুয়ে। কেউ আবার স্লোগান দিচ্ছেন। উজ্জীবিত সংগীত গাওয়া হচ্ছে মঞ্চ থেকে। তাদের কারও হাতে লাঠি। কেউবা একেবারেই খালি হাতে।  

খবর

যেভাবে গ্রেফতার হন মাহমুদুর রহমান ১৩ মিনিটেই দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে পুলিশ-র্যাব ও ডিবি পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও মাহমুদুর রহমানের অফিস তল্লাশি করে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট , কম্পিটারের সিপিইউ ও মনিটর এবং আটটি সিডি নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা ৫৫ মিনিটে তাকে আমার দেশ পত্রিকা অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নেয়া হয়। আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন , “ সকাল পৌনে আটটার দিকে কয়েকশ পুলিশ-র্যা ব ও সাদা পোশাকধারী ৩০ থেকে ৪০ জন পুলিশ সদস্য দুই লিফটে আমার দেশ কার্যালয়ে নামেন। দারোয়ানকে মারধর ও উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে ভেতরে প্রবেশ করেন। ক্যামেরা ফটোসাংবাদিকের ক্যামেরা কেড়ে নেন এবং সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যান। ”

সংবাদ

নতুন শক্তি সাযযাদ কাদির: দেশে আবির্ভাব ঘটেছে এক নতুন শক্তির। বিরোধে বিবাদে দ্বন্দ্বে সংঘাতে সহিংসতায় সংক্ষুব্ধ রাজনীতির আকাশে উদিত , উত্থিত হয়ে এ শক্তি এখন দেদীপ্যমান। এ উদয় আকস্মিক , অভাবনীয়। বিদ্যমান দুই পরাশক্তির কোলাহল ভেদ করে আরও এক পরাশক্তির আবির্ভাব ঘটতে পারে বলে ধারণা ছিল না কারও। কিন্তু সেই আবির্ভাব ঘটেছে সত্যি সত্যি। এ শক্তির নাম হেফাজতে ইসলাম। দেশের কোথায় কিভাবে সঞ্চিত ছিল এ শক্তি তা হয়তো অনুমান করা সম্ভব হবে না অনেকের পক্ষে। কিন্তু ছিল যে তা গতকাল এক বিশাল গণঅভ্যুদয়ের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন তারা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ , তার জোটের ১৪ দল , বামপন্থি মহল , সুশীল বুদ্ধিজীবী এবং ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট মিলে এক শক্তি যখন দমন নির্যাতন শুরু করেছে অপর শক্তি বিরোধী বিএনপি , জামায়াত , তাদের জোটের ১৮ দলের ওপর তখন তৃতীয় শক্তি হিসেবে দেখা দিলো হেফাজত ইসলাম।  স্মরণকালের বৃহত্তম গণসমাবেশ , লংমার্চ , সাংগঠনিক শক্তি দেখিয়ে তারা সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে সরকারের প্রতি- সেই সঙ্গে বিদ্যমান অপরাজনীতির বিরুদ্ধেও। ঘুষ-দুর্নীতি , লুট , সন্ত্রাস , চাঁদাবাজি সর্ব...

খবর সংকলন

হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ- খবর সংকলন গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে দেয়ার দাবি শনিবার সন্ধ্যার আগেই শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন হেফাজত নেতারা। অনুষ্ঠান পরিচালনাকালে হেফাজত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব এ দাবি জানান। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি অবিলম্বে তা ভেঙে দেয়ার দাবি জানান। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন , “ আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এখানে আসিনি। সরকার আমাদের দাবিগুলো পূরণ করলে আমরা কোনো কর্মসূচি দেব না। ”