Skip to main content

Posts

খবর

যেভাবে গ্রেফতার হন মাহমুদুর রহমান ১৩ মিনিটেই দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে পুলিশ-র্যাব ও ডিবি পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও মাহমুদুর রহমানের অফিস তল্লাশি করে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট , কম্পিটারের সিপিইউ ও মনিটর এবং আটটি সিডি নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা ৫৫ মিনিটে তাকে আমার দেশ পত্রিকা অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নেয়া হয়। আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন , “ সকাল পৌনে আটটার দিকে কয়েকশ পুলিশ-র্যা ব ও সাদা পোশাকধারী ৩০ থেকে ৪০ জন পুলিশ সদস্য দুই লিফটে আমার দেশ কার্যালয়ে নামেন। দারোয়ানকে মারধর ও উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে ভেতরে প্রবেশ করেন। ক্যামেরা ফটোসাংবাদিকের ক্যামেরা কেড়ে নেন এবং সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যান। ”

সংবাদ

নতুন শক্তি সাযযাদ কাদির: দেশে আবির্ভাব ঘটেছে এক নতুন শক্তির। বিরোধে বিবাদে দ্বন্দ্বে সংঘাতে সহিংসতায় সংক্ষুব্ধ রাজনীতির আকাশে উদিত , উত্থিত হয়ে এ শক্তি এখন দেদীপ্যমান। এ উদয় আকস্মিক , অভাবনীয়। বিদ্যমান দুই পরাশক্তির কোলাহল ভেদ করে আরও এক পরাশক্তির আবির্ভাব ঘটতে পারে বলে ধারণা ছিল না কারও। কিন্তু সেই আবির্ভাব ঘটেছে সত্যি সত্যি। এ শক্তির নাম হেফাজতে ইসলাম। দেশের কোথায় কিভাবে সঞ্চিত ছিল এ শক্তি তা হয়তো অনুমান করা সম্ভব হবে না অনেকের পক্ষে। কিন্তু ছিল যে তা গতকাল এক বিশাল গণঅভ্যুদয়ের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন তারা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ , তার জোটের ১৪ দল , বামপন্থি মহল , সুশীল বুদ্ধিজীবী এবং ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট মিলে এক শক্তি যখন দমন নির্যাতন শুরু করেছে অপর শক্তি বিরোধী বিএনপি , জামায়াত , তাদের জোটের ১৮ দলের ওপর তখন তৃতীয় শক্তি হিসেবে দেখা দিলো হেফাজত ইসলাম।  স্মরণকালের বৃহত্তম গণসমাবেশ , লংমার্চ , সাংগঠনিক শক্তি দেখিয়ে তারা সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে সরকারের প্রতি- সেই সঙ্গে বিদ্যমান অপরাজনীতির বিরুদ্ধেও। ঘুষ-দুর্নীতি , লুট , সন্ত্রাস , চাঁদাবাজি সর্ব...

খবর সংকলন

হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ- খবর সংকলন গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে দেয়ার দাবি শনিবার সন্ধ্যার আগেই শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন হেফাজত নেতারা। অনুষ্ঠান পরিচালনাকালে হেফাজত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব এ দাবি জানান। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি অবিলম্বে তা ভেঙে দেয়ার দাবি জানান। সমাবেশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন , “ আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এখানে আসিনি। সরকার আমাদের দাবিগুলো পূরণ করলে আমরা কোনো কর্মসূচি দেব না। ”

লংমার্চ

লংমার্চের ডাক : এক আল্লাহ জিন্দাবাদ আ ব দু ল হা ই শি ক দা র এক কাঁকর বিছানো পথ , কত বাধা , কত সমুদ্র-পর্বত। কত চক্রান্ত , কত ষড়যন্ত্র। কত মিথ্যাচার , কত অপপ্রচার। শাসকের রক্তচক্ষু। প্রলোভনের হাতছানি। বাস , ট্রেন , লঞ্চ বন্ধ। তারপরও পুলিশ , র্যাব , প্রশাসন ও সরকারের হুমকি-ধমকি , বিভ্রান্তিকে ব্যর্থ করে দিয়ে দেশ ও ধর্মরক্ষার জন্য মানুষ ছুটে আসছে ঢাকার দিকে। মানুষ আসছে টেকনাফের নাফ নদীর কিনার থেকে। মানুষ আসছে তেঁতুলিয়ার মহানন্দা পারের কুটির থেকে। মানুষ আসছে হাটহাজারী থেকে। সিলেট থেকে। চট্টগ্রাম থেকে। বরিশাল থেকে। খুলনা থেকে। রাজশাহী-রংপুর থেকে। জীবনমৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করে , ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চি মাটি থেকে আসছে মানুষ। লাঞ্ছিত-বঞ্চিত অধিকারহারা মানুষ। মানুষ আসছে পায়ে হেঁটে। আসছে বন্যার স্রোতের মতো। আসছে কালবৈশাখী ঝড়ের মতো। কবিকণ্ঠ তাইতো উদ্বেল হয়ে ওঠে :

খবর সংকলন

xml feed হেফাজতের লংমার্চ- চারিদিকে উত্তেজনা- মঞ্চ দখলের ঘোষণা সরকার হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে মুনাফেকি আচরণ করছে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন ,  “ সরকার একদিকে আমাদের লংমার্চের অনুমতি দিয়েছে ,  অন্যদিকে কর্মসূচি সফল করতে বাধা দিচ্ছে। এভাবে সরকার দ্বিমুখী আচরণ করছে। আর এটাকেই বলে মুনাফেকি। ”  শুক্রবার বিকেলে লালবাগের পোস্তা শাহী মসজিদে এক সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামীর নেতারা এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকার

বিশেষ সাক্ষাৎকারে হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফী জামায়াতের সহযোগী না বলে বরং আমাকে গুলি করে মেরে ফেলুন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের লংমার্চ ঘিরে টানটান উত্তেজনা এখন দেশজুড়ে। এরই মধ্যে সংগঠনটির আমির ও বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এই কর্মসূচির প্রতি সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট ,  ক্ষমতাসীন মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি ,  বিকল্প ধারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তি ,  দল ও সংগঠন।     হেফাজতের বহুল আলোচিত এই ঢাকামুখী লংমার্চ হবে আগামী শনিবার। সংগঠনের নেতারা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই লংমার্চ বাস্তবায়ন নিয়ে। সব কিছু ছাপিয়ে প্রায় শতবর্ষী দেশবরেণ্য আলেম ,  ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী মাদ্রাসায় মহাপরিচালকের নিজ দপ্তরে বসেই লংমার্চ বাস্তবায়নের সব কার্যক্রম তদারক করছেন আল্লামা শফী। এরই মধ্যে নিয়মমাফিক চার ঘণ্টা পবিত্র বোখারি শরিফ পড়াচ্ছেন তাঁর ছাত্রদের।   সার্বিক বিষয়ে তাঁকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীসহ কয়েকজন আলেম।   গত...

কলাম

xml feed মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে এই নয় যে সংঘাতের রাজনীতিকে উসকে দিয়ে ,  ধর্মপ্রাণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে দিয়ে দেশটাকে আরও অস্থির ,  অশান্ত করে তোলা লিখেছেন -   পীর হাবিবুর রহমান সরকার বিলম্বে হলেও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আলোচনা করে জ্বলন্ত উনুনে পানি ঢেলেছিল। তাদের শান্ত করতে , দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে স্বস্তি দিতে কয়েকজন ব্লগারকে গ্রেফতারও করেছে। সরকারের তদন্তেই বেরিয়ে আসত আটকরা অপরাধী কি না। অপরাধী হলে ব্যবস্থাও নিত। একই সঙ্গে সরকার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অপরাধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন সংশোধন করে দুই বছরের জায়গায় ১০ বছর ও এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান করার ঘোষণা দিয়েছিল। এ অবস্থায় হেফাজতে ইসলামের লংমার্চ অনেকটাই শান্তিপূর্ণভাবে শুরু ও শেষ হবে এমন ধারণাই জনমনে দেখা দিয়েছিল। হরতালের দেশ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোথাও ছুটির দিন বিশেষ করে সূর্যাস্তের পর হরতাল শুরু না হলেও শাহরিয়ার কবির আর নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুরা শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লংমার্চ প্রতিরোধে হরতাল দিয়ে জ্বলন্ত উনুনে ঘি ঢাললেন। এ কেমন রাতের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। প্রধানমন্...